জীবনের পথে চলতে গেলে সুখ-দুঃখ, পাওয়া-না পাওয়ার অনেক মুহূর্ত আসে। ঠিক সেই সময় গুলোতেই মানুষের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় ধৈর্যের। ধৈর্য মানুষকে ভেঙে পড়তে দেয় না। বরং শক্ত করে দাঁড়িয়ে থাকতে শেখায়। এই কারণেই যুগে যুগে মানুষ ধৈর্যকে নিয়ে ভাবেছে, লিখেছে এবং শিখেছে। ধৈর্য নিয়ে উক্তি আমাদের মনে সাহস জাগায়, হতাশার অন্ধকারে আলোর পথ দেখায় এবং কঠিন সময় পার করার শক্তি দেয়। তাই জীবনের নানা পরিস্থিতিতে অনুপ্রেরণা পেতে ধৈর্য নিয়ে উক্তি পড়া সত্যিই খুব উপকারী।
ধৈর্য শুধু অপেক্ষা করার নাম নয়। বরং নিজের মনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার একটি সুন্দর গুণ। জীবনের ব্যস্ততা, চাপ আর পরীক্ষার ভেতর ধৈর্য আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। এই পোস্টে সংকলিত ধৈর্য নিয়ে উক্তি গুলি আপনাকে নতুন করে ভাবতে শেখাবে, মনকে শান্ত রাখবে এবং এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দেবে।
ধৈর্য নিয়ে উক্তি
ধৈর্য মানুষের জীবনের এক অমূল্য গুণ। যা কঠিন সময়েও তাকে সামনে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে। জীবনের নানা অভিজ্ঞতা থেকে জন্ম নেওয়া এই উক্তি গুলো আমাদের মনে সাহস জাগায়, হতাশা দূর করে এবং অপেক্ষার মূল্য বোঝায়। ধৈর্য নিয়ে উক্তি আমাদের শেখায় সব কিছুর জন্যই সময় লাগে। আর ধৈর্য থাকলেই সফলতা আসে।
১. ধৈর্য কখনো মানুষকে ঠকায় না। ধৈর্য মানুষকে অনেক কিছু শেখায়, এবং উত্তম সময়ে শ্রেষ্ঠ উপহার দেয়।
২. জীবনে খারাপ কিছু ঘটলে ধৈর্য ধরুন। কারণ কান্নার পর হাসির মজাই আলাদা।
৩. ধৈর্য আর পরিশ্রম জাদুর মতো। এরা বাঁধা আর বিপদকে অদৃশ্য করে দেয়।
৪. আপনার ধৈর্য আপনার ভাগ্যকে আরও সুন্দর করে তুলবে।
৫. ধৈর্য ধারণ করো! তোমার ভবিষ্যৎ তোমার অতীতের চেয়েও সুন্দর হবে।
৬. ধৈর্য রোদে পুড়তে পুড়তে একদিন বিশাল বৃষ্টির প্রতিদানে ভিজে যাবো!
৭. জীবনের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা হচ্ছে ধৈর্য। সঠিক মুহূর্তের জন্য সব সময় অপেক্ষা করুন।
৮. ধৈর্য দিয়ে যা অর্জন করা যায়, তা শক্তি প্রয়োগ করে করা যায় না।
৯. যে কোন কঠিন পরিস্থিতিতে ধৈর্য রাখতে পারাটা হলো অর্ধেক সমস্যার সমাধান।
১০. তুমি তোমার ধৈর্যকে যদি ধরে রাখতে না পারো, তাহলে তোমার সচল জীবনকেও তুমি অচল করে দিতে পারো। তাই ধৈর্যকে বজায় রাখো।
১১. সময় বেশী লাগলেও ধৈর্য সহকারে কাজ করলে প্রতিষ্ঠিত হওয়া সহজ।
১২. সব ভালো একটু দেরী করেই আসে। খারাপটা একটু ধৈর্য ধরে কাটিয়ে নাও!
১৩. যে মানুষটা ধৈর্য ধরতে জানে, সে সহ্যও করে নিতে পারে।
১৪. ধৈর্য কখনো দুর্বলতা নয়। এটি এমন একটি শক্তি যা সবার থাকে না।
১৫. ধৈর্য হলো জীবনে এমন এক শক্তি, যায় মাধ্যমে জীবনের সব কঠিন বাঁধা কাটিয়ে ওঠা যায়।
১৬. ধৈর্যের পথ যত কঠিন হবে, গন্তব্য তত সুন্দর হবে।
১৭. তোমাকে যে ছেড়ে গেছে তাকেও কেও ছাড়বে! শুধু একটু ধৈর্য ধরো, সময় সবকিছু মনে রাখবে।
১৮. ধৈর্যের সীমা অতিক্রম হয়ে গেলে, মানুষ অসহায় বোধ করে!
১৯. ধৈর্যকে কোন কিছু দিয়ে মাপা যায় না। একে শুধু হৃদয়ে অনুভব করা যায়। আর ধৈর্যের মতো কঠিন কোন কিছুই নেই।
২০. সর্বদা ধৈর্যকে সাথে রাখুন! অন্ধকারের মাঝেও আলোর প্রদীপ জ্বলবেই।
আরও পড়ুন- ৩৫০+ সময় নিয়ে ক্যাপশন: খারাপ সময় নিয়ে স্ট্যাটাস ২০২৬
২১. ধৈর্য হলো সেই চাবিকাঠি, যা জীবনের সব বন্ধ দরজাকে একসময় ঠিকই খুলে দেয়।
২২. সৃষ্টিকর্তা কখনো কাউকে খালি হাতে ফেরায় না। ধৈর্যের শেষটা একদিন সুন্দর হবে।
২৩. সময়ের সাথে সাথে সবকিছু পাল্টে যায়। যেমন আগে জেদ ধরতাম, এখন ধৈর্য ধরি।
২৪. ধৈর্য মানুষের অনেক ভালো বন্ধু। ধৈর্য আপন করে নিলে জীবন সর্বদা নিরাপদ।
২৫. ধৈর্য ধরো! সবার সময় চিরকাল সমান থাকে না। তোমার ভাগ্যের চাকা একদিন ঠিকই ঘুরবে।

২৬. ধৈর্য ধরে আপনি কাজটি করুন! আজ নয় কাল সফল আপনি হবেন।
২৭. ধৈর্য রাখুন! সবাই আপনাকে ঠকালেও ঈশ্বর আপনাকে ঠকাবে না।
২৮. ধৈর্য আর চেষ্টাই একজন মানুষকে তার স্বপ্নের কাছে নিয়ে যায়।
২৯. ধৈর্য ধরে সময়কে সময় দিন। দেখবেন আজ যেটা বুকফাটা চিৎকার, কাল সেটা হাসির কারণ হবে।
৩০. যে ধৈর্য ধরতে জানে, তার জন্য আনন্দঘন প্রশান্তি অপেক্ষা করে!
৩১. জীবনের দুঃখ গুলিকে জয় করে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজন সাহস আর ধৈর্য।
৩২. ধৈর্য ধরো। মনকে শক্ত করো। মনে রেখো, সময় সর্বদা এক অবস্থায় থাকে না। খারাপ সময় এর পরেই ভালো সময় আসে।
৩৩. যার মাঝে ধৈর্য আর ভালোবাসা আছে, তার পক্ষে কিছুই অসম্ভব নয়।
৩৪. তোমার নীরব ধৈর্যই হবে একদিন তোমার সফলতার সবচেয়ে বড়ো এবং জোরালো আওয়াজ।
৩৫. ধৈর্যের অভাবে অনেক বড়ো বড়ো সম্ভাবনাও ধ্বংস হয়ে যায়।
৩৬. সময়কে তার মতো চলতে দাও। তুমি শুধু তোমার ধৈর্যের বাঁধটা শক্ত করে ধরে রাখো, জয় তোমারই হবে।
৩৭. সব সমস্যার প্রতিকারই হচ্ছে ধৈর্য।
৩৮. ধৈর্য, বিশ্বাস, আর সময় কখনো প্রতারনা করে না। ধৈর্য ধরো, বিশ্বাস রাখো, সময় একদিন ফিরবেই।
৩৯. ধৈর্য ধরো! তোমার জন্য যেটা বরাদ্দ, সেটা দেরিতে হলেও আসবে।
৪০. প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণ করা মানে হলো, অর্ধেক যুদ্ধে অলিখিত ভাবে জিতে যাওয়া।
৪১. যখন তুমি চিন্তিত ও উদ্বিগ্ন থাকবে, তখন ধৈর্য ধরবে। ধৈর্যের চাবি সুখের দরজা খুলে দেয়।
৪২. যার ধৈর্য যত বেশি, তাঁর সফলতা তত বেশি।
৪৩. ধৈর্য জিনিসটা বড়ই দামী! যা সবার থাকে না। আর যার থাকে সে লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে।
৪৪. ধৈর্য ধরো, মন দিয়ে চেষ্টা করো। আজ না হয় কাল, কাল না হয় পরশু, একদিন না একদিন তোমার স্বপ্ন পূরণ হবেই।
৪৫. দুঃসময়ে ধৈর্য ধারণ করা যতোটা কঠিন, তার চেয়েও বেশি কঠিন সুসময়ে বিনয়ী থাকা।
৪৬. শুধু ধৈর্য ধরলে তোমার হবে না! ধৈর্য ধরে এগোতে হবে কিছু হওয়ার জন্য।
৪৭. কি ভাবছো, হেরে গেছো! সবাই হাসছে তোমার উপর! ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করো, শেষ হাসিটা তুমিই হাসবে।
৪৮. অসাধারণ কাজ গুলো শক্তি নয়, অসীম ধৈর্য দ্বারা সম্পূর্ণ করতে হয়।
৪৯. ধৈর্য মানে অলসতা নয়। বরং লক্ষ্য অর্জনে অবিচল থেকে সঠিক মুহূর্তের জন্য সাহসের সাথে অপেক্ষা করা।
৫০. ধৈর্যের ফলটা সব সময় মিষ্টি হয়! তাই ধৈর্য ধরে কাজ করুন।
ধৈর্য নিয়ে ইসলামিক উক্তি
ইসলামে ধৈর্যের গুরুত্ব অপরিসীম। দুনিয়ার প্রতিটি পরীক্ষা ও বিপদের মধ্যে ধৈর্য ধারণ করাকে আল্লাহ তায়ালা বিশেষভাবে পছন্দ করেন। ধৈর্য নিয়ে ইসলামিক উক্তি গুলো আমাদের ঈমানকে মজবুত করে এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রাখতে শেখায়।
১. ধৈর্য হলো ঈমানের মাথা স্বরূপ। যার ধৈর্য নেই, তার ঈমান নেই।
২. তুমি যা হারিয়েছ, ধৈর্যের মাধ্যমে তার চেয়ে উত্তম কিছু আল্লাহ তোমাকে ফিরিয়ে দেবেন।
৩. কষ্ট ছাড়া ধৈর্য শেখা যায় না। আর ধৈর্য ছাড়া সাফল্য পাওয়া যায় না।
৪. ধৈর্য মানে শুধু চুপচাপ বসে থাকা নয়। বরং আল্লাহর ফয়সালার ওপর সন্তুষ্ট থেকে সুন্দরভাবে অপেক্ষা করা।
৫. বিপদ যখন তোমাকে আল্লাহর দিকে নিয়ে যায়, তখন বুঝে নিও সেটা বিপদ নয়, বরং আল্লাহর বিশেষ রহমত।
৬. ধৈর্য মানে শুধু অপেক্ষা করা নয়। বরং অপেক্ষার সময়টাতে নিজের আচরণ ও বিশ্বাসকে সুন্দর রাখা।
৭. যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে শান্ত থাকাই হলো ধৈর্যের আসল পরীক্ষা।
৮. আল্লাহ যখন কাউকে ভালোবাসেন, তখন তাকে ধৈর্যের পরীক্ষা দিয়ে যাচাই করেন।
৯. ধৈর্যের মাধ্যমেই মুমিন ব্যক্তি জান্নাতের উচ্চ মকামে পৌঁছাতে পারে।
১০. আল্লাহর ওপর বিশ্বাস রাখার নামই হলো ধৈর্য। অন্ধকার যতোই গভীর হোক, ভোরের আলো আসবেই। এই বিশ্বাস রাখা।
১১. ধৈর্য ধরা কঠিন। কিন্তু ধৈর্যের ফল সব সময় আনন্দদায়ক হয়।
১২. তুমি যদি ধৈর্য ধরো, তবে ভাগ্য তোমাকে জয়ী করবে। আর যদি অস্থির হও, তবে ভাগ্য তোমাকে ধ্বংস করবে।
১৩. সাফল্য তাদেরই আলিঙ্গন করে, যারা প্রতিকূল সময়ে ধৈর্যের সাথে লড়াই করতে জানে।
১৪. অন্ধকারের পরেই আলো আসে, তেমনি কষ্টের পরেই স্বস্তি আসে। এটিই আল্লাহর নিয়ম।
১৫. যে ব্যক্তি বিপদে ধৈর্য ধরে, আল্লাহ তার মর্যাদা দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জায়গাতেই বাড়িয়ে দেন।

১৬. ধৈর্য ধরলে আল্লাহ অসম্ভবকেও সম্ভব করে দেন।
১৭. বিপদ যত বড়ই হোক না কেন, আল্লাহর রহমত তার চেয়েও বড়। শুধু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করো।
১৮. ধৈর্য হলো এমন এক আলো, যা বিপদের অন্ধকারেও পথ দেখায়।
১৯. মানুষ যখন আপনার সাথে খারাপ ব্যবহার করে, তখন ধৈর্য ধরুন। কারণ বিচার আল্লাহ করবেন।
২০. ধৈর্য ধরুন! কারণ আপনি যা কিছু হারিয়েছেন তা অন্য কোনো রূপে আপনার কাছে ফিরে আসবে।
২১. আল্লাহর সিদ্ধান্ত সব সময় নিখুঁত হয়। আমাদের শুধু সেটা বোঝার ধৈর্য থাকতে হয়।
২২. মহান আল্লাহ আমাদের সেই জিনিসটিই দেন যা আমাদের জন্য সবচেয়ে উত্তম। কিন্তু তিনি তা দেন তাঁর নির্দিষ্ট সঠিক সময়ে।
২৩. আল্লাহর ভালোবাসার পাত্র হতে চাইলে ধৈর্যকে নিজের সঙ্গী বানিয়ে নিন।
২৪. ধৈর্য হলো আত্মার শক্তি। যা মানুষকে পরাজয়ের মুখেও ভেঙে পড়তে দেয় না।
২৫. অতীত নিয়ে আক্ষেপ করো না। বরং ধৈর্য ধরে বর্তমানকে সুন্দর করার চেষ্টা করো।
২৬. জীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় ধৈর্য ধরুন। কারণ আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গেই আছেন।
২৭. দুটি জিনিস আপনাকে সংজ্ঞায়িত করে। যখন আপনার কাছে কিছুই নেই তখন আপনার “ধৈর্য”। আর যখন আপনার কাছে সবকিছু আছে তখন আপনার “বিনয়”।
২৮. ধৈর্য মানে হলো আল্লাহর ইচ্ছার কাছে নিজেকে সঁপে দেওয়া।
২৯. ধৈর্য হলো ঈমানের সেই মজবুত খুঁটি, যার ওপর মুমিনের পুরো জীবন ও আমল দাঁড়িয়ে থাকে।
৩০. যিনি ধৈর্য ধরেন, তিনি শেষ পর্যন্ত বিজয়ী হন।
ধৈর্য নিয়ে আল্লাহর বাণী
আল-কুরআনে ধৈর্যশীল দের জন্য রয়েছে সুসংবাদ ও মহান পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি। আল্লাহর বাণী গুলো আমাদের আশ্বস্ত করে কষ্টের পর অবশ্যই স্বস্তি আসে। ধৈর্য নিয়ে আল্লাহর বাণী মানুষের হৃদয়ে শান্তি এনে দেয় এবং বিপদের সময় দৃঢ় থাকতে অনুপ্রেরণা জোগায়।
১. হে মুমিনগণ! তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীল দের সাথে আছেন।
২. নিশ্চয়ই ধৈর্যশীলদের কে তাদের প্রতিদান অগণিত বা সীমাহীন ভাবে দেওয়া হবে।
৩. ধৈর্য ধারণ করো। তোমার ধৈর্য তো আল্লাহরই সাহায্যে সাফল্যমণ্ডিত হয়।
৪. হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ধারণ করো, ধৈর্যের প্রতিযোগিতা করো এবং একে অপরকে সাহায্য করো।
৫. যারা ধৈর্য ধারণ করে এবং সৎকাজ করে, তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও মহা পুরস্কার।
৬. অবশ্যই যে ধৈর্য ধারণ করে এবং ক্ষমা করে, তা তো দৃঢ় সংকল্পের কাজ।
৭. আমি অবশ্যই তোমাদের ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দিয়ে পরীক্ষা করবো। আর তুমি ধৈর্যশীল দের সুসংবাদ দাও।
৮. ধৈর্য ধরো। নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্মশীল দের প্রতিদান নষ্ট করেন না।
৯. তোমরা ধৈর্য ধারণ করেছিলে বলে তোমাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক।
১০. যারা ধৈর্য ধারণ করেছে, আমি অবশ্যই তাদের আমলের শ্রেষ্ঠ প্রতিদান দেবো।
১১. যারা ঈমান এনেছে এবং পরস্পরকে ধৈর্য ও দয়ার উপদেশ দেয়, তারাই সৌভাগ্যবান।
১২. নিশ্চয়ই ধৈর্যের সাথেই স্বস্তি রয়েছে।
১৩. তোমার রবের উদ্দেশ্যে ধৈর্য ধারণ করো।
১৪. আল্লাহ ধৈর্যশীল দের ভালোবাসেন।
১৫. যারা ধৈর্য ধারণ করে, কেবল তারাই পূর্ণ প্রতিদান প্রাপ্ত হয়।

১৬. হে মুমিনগণ! তোমরা ধৈর্য ধারণ করো এবং ধৈর্যের প্রতিযোগিতায় জয়ী হও।
১৭. আর তোমার ওপর যে বিপদ আসে, তাতে ধৈর্য ধারণ করো। নিশ্চয়ই এটা সাহসিকতার কাজ।
১৮. তুমি তোমার রবের ফয়সালার জন্য ধৈর্য ধারণ করো। এবং তাদের মধ্যে কোনো পাপিষ্ঠ বা অকৃতজ্ঞের আনুগত্য করো না।
১৯. সে সব লোককেই তাদের প্রতিদান দুবার দেওয়া হবে, যেহেতু তারা ধৈর্য ধারণ করেছে।
২০. তুমি ধৈর্য ধারণ করো। যেমন ধৈর্য ধারণ করেছিলেন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ রাসূলগণ।
২১. আল্লাহর ওপরই মুমিনদের ভরসা করা উচিত।
২২. নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি তাকওয়া অবলম্বন করে এবং ধৈর্য ধরে, আল্লাহ অবশ্যই সে রূপ সৎকর্মশীল দের প্রতিদান নষ্ট করেন না।
২৩. তুমি ধৈর্য ধারণ করো যতক্ষণ না আল্লাহ ফয়সালা করেন। আর তিনি সর্বোত্তম ফয়সালাকারী।
২৪. যারা ঈমান এনেছে এবং একে অপরকে ধৈর্য ও দয়ার উপদেশ দিয়েছে— তারাই সৌভাগ্যবান।
২৫. আর তুমি ধৈর্য ধারণ করো। নিশ্চয়ই আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য।
২৬. তারা ধৈর্য ধারণ করার কারণে আল্লাহ তাদের প্রতিদান হিসেবে জান্নাত ও রেশমি পোশাক দান করবেন।
২৭. ধৈর্য হলো এমন এক তিক্ত গাছ, যার ফল অত্যন্ত মিষ্টি।
২৮. অবশ্যই আমি তোমাদের পরীক্ষা করবো। যাতে আমি তোমাদের মধ্যে যারা জিহাদকারী ও ধৈর্যশীল তাদের জেনে নিতে পারি।
২৯. যখন তোমার চারপাশ অন্ধকার হয়ে আসবে, তখন সবর বা ধৈর্যকে পথের প্রদীপ বানিয়ে নাও।
৩০. আল্লাহর ফয়সালার ওপর অভিযোগ না করে সন্তুষ্ট থাকাই হলো প্রকৃত ধৈর্যের পরিচয়।
ধৈর্য নিয়ে হাদিস
নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর হাদিসে ধৈর্যের অসাধারণ মর্যাদা তুলে ধরা হয়েছে। জীবনের দুঃখ-কষ্ট, বিপদ ও পরীক্ষায় কীভাবে ধৈর্য ধরতে হয়, তা হাদিস থেকে আমরা স্পষ্টভাবে শিখতে পারি। ধৈর্য নিয়ে হাদিস মুমিনের চরিত্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১. সবর বা ধৈর্য হলো এক উজ্জ্বল জ্যোতি।
২. ধৈর্যের চেয়ে উত্তম ও অধিক প্রশস্ত আর কোনো দান কাউকে দেওয়া হয়নি।
৩. প্রকৃত ধৈর্য হলো বিপদের প্রথম আঘাতেই ধৈর্য ধরা।
৪. অভাব-অনটনে ধৈর্য ধরা এবং মানুষের কাছে হাত না পাতা হলো মুমিনের প্রকৃত বীরত্ব।
৫. যদি আল্লাহ কোনো বান্দার কল্যাণ চান, তবে তাকে দুনিয়াতে জলদি বিপদে ফেলেন। যাতে ধৈর্য ধরে সে গুনাহ মুক্ত হতে পারে।
৬. যে ব্যক্তি ধৈর্য ধারণের চেষ্টা করে, আল্লাহ তাকে ধৈর্য ধারণের ক্ষমতা দান করেন।
৭. ধৈর্য হলো ঈমানের অর্ধেক।
৮. পালোয়ান সে নয় যে কুস্তিতে অন্যকে হারিয়ে দেয়। বরং প্রকৃত বীর সেই, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে ধৈর্য ধরে।
৯. মনে রেখো, তোমার আজকের ধৈর্যই আগামীকালের সফলতার চাবিকাঠি।
১০. আল্লাহ যার মঙ্গল চান, তাকে তিনি দুঃখ-কষ্ট ও বিপদে ফেলেন। যাতে সে ধৈর্যের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য পায়।
১১. নিশ্চয়ই ধৈর্যের বিনিময়ে মহান আল্লাহ বান্দার জন্য জান্নাত অবধারিত করে দেন।
১২. যে ব্যক্তি রাগ সংবরণ করার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ধৈর্য ধরে তা হজম করে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে সমস্ত সৃষ্টির সামনে ডেকে পুরস্কৃত করবেন।
১৩. ধৈর্য জান্নাতের অন্যতম ভান্ডার।
১৪. অপেক্ষা করা বা ধৈর্য ধরা হলো ইবাদতের সমান।
১৫. দানশীলতা যেমন সম্পদ কমায় না। তেমনি ক্ষমা ও ধৈর্য বান্দার মর্যাদা বাড়িয়ে দেয়।

১৬. সাফল্য ধৈর্যের সাথেই আসে।
১৭. উত্তম ইবাদত হলো বিপদের সময় ধৈর্যের সাথে প্রশস্তির বা মুক্তির অপেক্ষা করা।
১৮. রাগের সময় চুপ থাকা ধৈর্যের একটি বড় অংশ।
১৯. মুমিন ব্যক্তি যখন তার প্রিয়জনকে হারানোর পর আল্লাহর কাছে সওয়াবের আশায় ধৈর্য ধরে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাত ছাড়া আর কোনো প্রতিদান রাখেন না।
২০. ধৈর্যশীল ব্যক্তি কখনো পরাজিত হয় না। কারণ মহান আল্লাহ নিজেই তার সাহায্যকারী হয়ে যান।
২১. ধৈর্যশীল মুমিন আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়।
২২. বিপদের সময় আহাজারি করা বা কাপড় ছেঁড়া ইসলামের আদর্শ নয়। বরং ধৈর্য ধরাই ইসলামের পথ।
২৩. মুমিনের বিষয় গুলো কতোই না চমৎকার! তার প্রতিটি কাজে কল্যাণ থাকে। যদি সে সুখ পায় তবে শোকর করে, যা তার জন্য কল্যাণকর। আর যদি সে বিপদে পড়ে তবে ধৈর্য ধরে, তাও তার জন্য কল্যাণকর।
২৪. আল্লাহ তায়ালা কিয়ামতের দিন ধৈর্যশীলদের হিসাব ছাড়াই পুরস্কার দেবেন।
২৫. তোমার ওপর আসা মুসিবত যদি তোমাকে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে নেয় এবং ধৈর্য শেখায়, তবে তা তোমার জন্য রহমত।
২৬. অল্পে তুষ্ট থাকা এবং বিপদে ধৈর্য ধরা মুমিনের শ্রেষ্ঠ গুণ।
২৭. যে ব্যক্তি মানুষের থেকে কষ্ট পায় এবং তাতে ধৈর্য ধরে, সে ঐ মুমিনের চেয়ে উত্তম যে মানুষের থেকে দূরে থাকে এবং ধৈর্য ধরার সুযোগ পায় না।
২৮. আল্লাহর হুকুমের ওপর সন্তুষ্ট থেকে ধৈর্য ধারণ করা উত্তম আমল।
২৯. ধৈর্য হলো আত্মার সেই হাতিয়ার, যা দিয়ে জীবনের প্রতিটি কঠিন পরিস্থিতিকে জয় করা সম্ভব।
৩০. নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীল দের ত্যাগ বৃথা যেতে দেন না।
ধৈর্য নিয়ে স্ট্যাটাস
সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অনুভূতি প্রকাশের জন্য ছোট কিন্তু অর্থবহ কথার প্রয়োজন হয়। ধৈর্য নিয়ে স্ট্যাটাস আমাদের মনের অবস্থা সহজভাবে প্রকাশ করে এবং অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করে। এই স্ট্যাটাস গুলো হতাশার সময় শক্ত থাকার বার্তা দেয়।
১. ধৈর্য ধরো, সহ্য করো। হয় জিতে যাবে, না হয় অনেক কিছু শিখে যাবে।
২. ধৈর্য মানে শুধু বসে বসে অপেক্ষা করা নয়। ধৈর্য মানে ভবিষ্যৎকে দেখতে পাওয়া।
৩. যদি তোমার লক্ষ্য মূল্যবান হয়, তবে শেষ পর্যন্ত ধৈর্য ধরো।
৪. আজ আপনি শূন্য বলে হয়তো অনেকেই আপনাকে অবহেলা করছে। ধৈর্য ধরুন, একদিন আপনার ঈশ্বর সব শূন্যতা গুলো পূর্ণতায় পরিণত করে দেবেন।
৫. ধৈর্য মানুষকে উন্নত করে। আর মিথ্যা মানুষকে ধ্বংস করে।
৬. দীর্ঘদিন ধৈর্য ধরার পরে মানুষ তার খুব প্রিয় কিছুর প্রতি থেকেও আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।
৭. লোকের ভাগ্য বদলায়। আমার বদলায় শুধু ধৈর্যের পাতা। এক পৃষ্ঠার থেকে অন্য পৃষ্ঠা।
৮. ধৈর্য ধরে থাকা মানুষের একটি মহৎ কাজ। যা সবার দ্বারা সম্ভব নয়। যে এটি ধরে থাকতে পারে, তার জীবন সুন্দর।
৯. ধৈর্য ধরে বসে আছি। একদিন ঠিক সেরা জিনিসটাই পাবো।
১০. ধৈর্য এমন একটি যাত্রা, যা তার আরোহীকে কখনোই পড়ে যেতে দেয় না। কারো পায়ে না কারো চোখে।
১১. কেউ সম্পূর্ণ আপনার মতো হবে না। একইভাবে আপনিও কারো মতো হবেন না। দুজনের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য থাকবেই। আর এই পার্থক্য টুকুই হলো ধৈর্য।
১২. যেখানে অভিমান হয় বিচ্ছেদের কারণ, সেখানে ধৈর্য ধরে নীরব থাকা অধিক শ্রেয়।
১৩. কষ্টকে শক্তিতে পরিণত করতে ধৈর্য ধরা জরুরি!
১৪. কারো সাথে তর্ক করার চেয়ে ধৈর্য ধরে নীরবতার পথ অবলম্বন করা অধিক শ্রেয়!
১৫. ধৈর্য হলো একটি শক্তি, যা দিয়ে আমরা আমাদের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।

১৬. যার ধৈর্য ক্ষমতা বেশি, সেই জীবন যুদ্ধে জয়ী।
১৭. শেষ হাসিটা হাসার জন্য প্রচুর ধৈর্য ও চেষ্টার প্রয়োজন।
১৮. সৃষ্টি কর্তার ঠিক করা সবচেয়ে ভালো জিনিসটা পাওয়ার জন্য এর আগে আসা সব ধরনের কষ্ট গুলোকে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হয়।
১৯. সুখ মানুষের জীবনে অহংকারের পরীক্ষা নেয়। আর দুঃখ মানুষের জীবনে ধৈর্যের পরীক্ষা নেয়!
২০. সকল বিপদাপদে আপনি ধৈর্যের পথ অবলম্বন করুন। একদিন ঠিকই আপনি ধৈর্যের প্রতিদান পাবেন।
২১. ধৈর্যের ও একটা সীমা আছে। যেটা অতিক্রম হয়ে গেলে মানুষ ভুল সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়।
২২. কাউকে এই পরিমান অপেক্ষা করানো উচিত নয় যে, তার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যায়।
২৩. যে মানুষ তোমাকে ভালোবাসে, তোমাকে পাওয়ার জন্যে ধৈর্য ধরে অনেকটা সময় অপেক্ষা করতে পারে, সেই মানুষটা ছাড়া অন্য কাউকে তোমার জীবনে ঠাঁই দিও না।
২৪. যে মানুষ নিজের ধৈর্যের উপর আস্থা রাখতে পারেনা, সে মানুষ কখনো জীবনে বড় হতে পারেনা।
২৫. এতো হতাশ কেনো। ধৈর্য ধরুন, দেরিতে আসা সবকিছুই দীর্ঘস্থায়ী হয়। হোক ভালোবাসা কিংবা সম্পদ।
২৬. চিন্তাশীল মানুষ কখনো তাড়াহুড়া করে না। কারণ সে জানে ধৈর্য সবচেয়ে ধারালো কৌশল।
২৭. যারা উঁচু উঁচু পাহাড়ে ওঠার রেকর্ড করেছে, তাদের ধৈর্য ছিল বলেই তারা উঁচু পাহাড়ে উঠতে সফল হয়েছে। ধৈর্যশীল ব্যক্তিই সফলতার চূড়ায় উঠতে পারে।
২৮. ধৈর্যের বাঁধ যখন ভেঙ্গে যায়, মানুষের ভালো কথা তখন কেবল সান্ত্বনা বলে মনে হয়!
২৯. সব কথার শেষ কথা ধৈর্য আর সময়। সময় মানুষকে অনেক কিছু শেখায়। আর ধৈর্য মানুষকে সফলতা দেয়।
৩০. অতঃপর আমি আকাশ এর দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে আল্লাহর কাছে ধৈর্য চাইলাম।
ধৈর্য নিয়ে ক্যাপশন
একটি ছবি বা মুহূর্তকে আরও গভীর অর্থ দিতে সুন্দর ক্যাপশন খুব জরুরি। ধৈর্য নিয়ে ক্যাপশন জীবনের বাস্তবতা, অপেক্ষা আর আশা এই অনুভূতি গুলোকে অল্প কথায় সুন্দরভাবে তুলে ধরে। এগুলো মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো বার্তা বহন করে।
১. পাহাড় সমান ধৈর্য রেখেও শেষে কিছুই পাওয়া হলো না।
২. যিনি ধৈর্যের মালিক, তিনিই অন্য সবকিছুর মালিক।
৩. কষ্ট যদি নামে জীবনের পথ ধরে, ধৈর্য তখন দীপ জ্বালে অন্তরের গভীরে।
৪. ধৈর্য ধরো, কোনো এক নতুন দিনের অপেক্ষা! যেদিন তোমার সব স্বপ্ন গুলো পূরণ হবে।
৫. জীবন সহজ নয়। তবে ধৈর্য রাখলে কঠিন জীবনও সুন্দর হয়ে যায়।
৬. ধৈর্য ধরুন। কারণ জীবনের সেরা গল্প গুলো একটু দেরিতেই শুরু হয়।
৭. আগুনে যেমন সোনা জ্বলে, তেমনি প্রতিকূলতার মধ্যেও ধৈর্যশীল ব্যক্তি জ্বলে।
৮. নীরবতা আর ধৈর্যের সংমিশ্রণেই জীবনের সবচেয়ে কঠিন পথ গুলো পাড়ি দেওয়া সহজ হয়।
৯. শক্তির চেয়ে সহনশীলতা উত্তম। আর সৌন্দর্যের চেয়ে ধৈর্য উত্তম।
১০. ধৈর্য এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আমরা এমন কিছু অর্জন করতে পারি, যা শক্তি এবং গতি কখনও করতে পারে না।
১১. কঠিন পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হওয়া উচিত নয়। বরং ধৈর্যশীল থাকা উচিত।
১২. সময়ের ওপর বিশ্বাস রাখুন। কারণ সঠিক ধৈর্য কখনো কাউকে খালি হাতে ফেরায় না।
১৩. সুখে গর্ব করো না। দুঃখে ধৈর্য হারাও না।
১৪. যার ধৈর্য আছে, সে যা ইচ্ছা তাই অর্জন করতে পারে।
১৫. সব কিছুর সাথে ধৈর্য ধরো। কিন্তু সবার আগে নিজের সাথে।

১৬. রাগের মুহূর্তে এক মুহূর্ত ধৈর্য, আমাদের হাজারো দুঃখের মুহূর্ত এড়াতে সাহায্য করতে পারে।
১৭. ধৈর্যশীল পুরুষরা আত্মবিশ্বাসের নৌকা চালায় এবং প্রতিকূলতার নদী সফলভাবে অতিক্রম করে।
১৮. জীবনের প্রবল ঝড়েও শান্ত থাকতে পারাটাই হলো, একজন মানুষের আসল ধৈর্যের পরীক্ষা।
১৯. যদি পৃথিবীতে কেবল সুখই থাকত, তাহলে আমরা কখনই সাহসী এবং ধৈর্যশীল হতে শিখতাম না।
২০. সবাই ধৈর্যের প্রশংসা করে। কিন্তু খুব কম লোকই তা অনুশীলন করতে ইচ্ছুক।
২১. ধৈর্যের মাধ্যমে অনেক কাজ সম্পন্ন হয়। কিন্তু তাড়াহুড়ো করা ব্যক্তি হেরে যায়।
২২. ধৈর্য ছাড়া কোনও কিছুই একজন ব্যক্তিকে প্রতিকূলতা থেকে বাঁচাতে পারে না।
২৩. ধৈর্য জীবনের লক্ষ্যের দরজা খুলে দেয়। ধৈর্য ছাড়া সেই দরজার আর কোনও চাবিকাঠি নেই।
২৪. যদিও একজন ভদ্রলোক দরিদ্র হন, তবুও তাকে ধনী মনে করুন। কারণ তিনি ধৈর্যের সম্পদের অধিকারী।
২৫. পৃথিবীতে এমন কোনো কঠিন কাজ নেই, যা একজন ধৈর্যশীল এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ মানুষ করতে পারে না।
২৬. ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে। কতোটুকু ধৈর্য ধরলে ধৈর্যের পহর শেষ হয় তা জানা নেই। ধৈর্য ধরতে ধরতে আজ আমি ভীষণ ক্লান্ত।
২৭. সহনশীলতা এবং ধৈর্যকে দুর্বলতা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। এগুলো শক্তির লক্ষণ।
২৮. সাফল্য হলো তার দাস যার ধৈর্য আছে। এবং কঠোর পরিশ্রমকে ভয় পায় না।
২৯. ধৈর্য ধরে রাখলে, হেরে যাওয়া খেলাও জেতা সম্ভব।
৩০. ভালোবাসা এবং ধৈর্য থাকলে, কিছুই অসম্ভব নয়।
শেষ কথা
সবশেষে বলা যায়, ধৈর্য মানুষের জীবনের এমন একটি গুণ যা প্রতিটি পরিস্থিতিতেই প্রয়োজন হয়। সুখের সময় বিনয়ী থাকতে এবং দুঃখের সময় ভেঙে না পড়তে ধৈর্যই সবচেয়ে বড় সহায়। এই পুরো লেখায় তুলে ধরা ধৈর্য নিয়ে উক্তি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সময় কখনো এক জায়গায় থাকে না। আর ধৈর্য ধরতে পারলেই পরিবর্তনের ভালো দিকটা দেখা যায়। তাই জীবনের প্রতিটি বাঁকে নিজেকে শক্ত রাখতে ধৈর্য নিয়ে উক্তি আমাদের জন্য হতে পারে এক নির্ভরযোগ্য সঙ্গী।
ধৈর্য আমাদের শুধু অপেক্ষা করতে শেখায় না। বরং আশা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে। এই সংকলনের প্রতিটি কথা, প্রতিটি ভাবনা জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতার সাথে মিলে যায় এবং মনকে শান্ত রাখে। যদি কোনো সময় আপনি হতাশ হন, ক্লান্ত হয়ে পড়েন বা দিশেহারা বোধ করেন, তাহলে এই ধৈর্য নিয়ে উক্তি গুলো আবার পড়ুন। বিশ্বাস রাখুন, সঠিক সময় এলে ধৈর্যের ফল অবশ্যই মিলবে। এই সত্যটাই বারবার মনে করিয়ে দেয় এই সমস্ত ধৈর্য নিয়ে উক্তি।



