গৌতম বুদ্ধের বাণী: আপনার জীবনে শান্তি নিয়ে আসবে

You are currently viewing গৌতম বুদ্ধের বাণী: আপনার জীবনে শান্তি নিয়ে আসবে
গৌতম বুদ্ধের বাণী (gautam buddha bani in bengali)

বৌদ্ধ ধর্ম হল শান্তির ধর্ম। আর এই ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা হলেন গৌতম বুদ্ধ। তাই তাহার বাণী গুলি যে জীবনে শান্তি নিয়ে আসবে একথা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই নীচে কিছু গৌতম বুদ্ধের বাণী দেওয়া হলো। আপনি যদি জীবনে শান্তি পেতে চান তাহলে এগুলো মেনে চলুন।

জীবন নিয়ে গৌতম বুদ্ধের বাণী

1. “জীবনে যতোই ভালো বই পড় কিংবা ভালো উপদেশ শোনো না কেন, কিন্তু যতক্ষণ না তুমি সেইসবের থেকে পাওয়া তথ্য গুলোকে নিজের জীবনে ব্যবহার না করছো, ততোক্ষন অবধি সেইসবের কোনো মূল্যই নেই।”– গৌতম বুদ্ধ

2. “মন ও শরীরের পক্ষে সুস্থ থাকার রাস্তা হলো অতীতের জন্য শোক না করা আর ভবিষ্যতের জন্য চিন্তা না করা। বরং বুদ্ধি ও সৎ ভাবের দ্বারা বর্তমানে বাঁচার চেষ্টা করা।” – গৌতম বুদ্ধ

3. “যেমনভাবে একটা মোমবাতি আগুন ছাড়া নিজে জ্বলতে পারে না, ঠিক সেইরকমই একটা মানুষ আধ্যাত্মিক জীবন ছাড়া বাঁচতে পারে না।” – গৌতম বুদ্ধ

আরও পড়ুন-স্বামী বিবেকানন্দের বাণী: যেগুলি আপনাকে অনুপ্রাণিত করবে

4. “একটি মুহূর্ত একটি দিন পরিবর্তন করতে পারে, একটি দিন একটি জীবন পরিবর্তন করতে পারে এবং একটি জীবন গোটা বিশ্বকে পরিবর্তন করতে পারে।” – গৌতম বুদ্ধ

“জীবনের প্রথমে ভুল হওয়া মানে এই নয় এটি সবচেয়ে বড়ো ভুল। এর থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাও।” – গৌতম বুদ্ধ

5. “যে ভালোভাবে জীবন কাটিয়েছে, সে মৃত্যুকেও ভয় পায় না।” – গৌতম বুদ্ধ

6. “জীবনে যে তোমাকে বিশ্বাস করে তাকে মিথ্যা বলো না, আর যে মিথ্যা বলে তাকে বিশ্বাস করো না।” – গৌতম বুদ্ধ

7. “আমরা অনেকেই একটা কিছুর সন্ধানে পুরো জীবনটা কাটিয়ে দি। কিন্তু তুমি যা চাও তা হয়তো এর মধ্যেই পেয়েছো। সুতরাং এবার থামো।” – গৌতম বুদ্ধ

8. “মূর্খরা আমার পুত্র, আমার অর্থ, আমার ধন এই চিন্তায় যন্ত্রণা ভোগ করে। যখন সে নিজেই নিজের না তখন পুত্র বা ধন তার হয় কিভাবে?” – গৌতম বুদ্ধ

9. “জিব হলো ধারালো ছুরির মতো, যা রক্ত বেড় না করেও আপনাকে মেরে ফেলতে পারে।” – গৌতম বুদ্ধ

10. “প্রাজ্ঞ ব্যক্তি কখনো নিন্দা বা প্রশংসায় দ্বারা প্রভাবিত হয় না।” – গৌতম বুদ্ধ

11. “বর্ষাকালে এখানে, শীত-গ্রীষ্মে ওখানে বাস করবো – মূর্খরা এভাবেই চিন্তা করে। শুধু জানে না জীবন কখন কোথায় শেষ হয়ে যাবে।” – গৌতম বুদ্ধ

12. “প্রত্যেক মানুষের অধিকার আছে, তার নিজের দুনিয়াকে স্বয়ং নিজে খোঁজার।” – গৌতম বুদ্ধ

13. “ভালো কাজ করার জন্য সংকল্প করুন। আপনার জীবন আনন্দে ভরে যাবে।” – গৌতম বুদ্ধ

“স্বাস্থ্য ছাড়া জীবন, সত্যিকারের জীবন নয়। এটা বেদনার একটা স্থিতি আর মৃত্যুর একটা রূপ।” – গৌতম বুদ্ধ

14. “পরমাত্মা প্রত্যেকেই একই রকম করেছেন, পার্থক্য তো শুধু আমাদের মস্তিষ্কের ভিতরে।” – গৌতম বুদ্ধ

15. “দুশ্চরিত্র ও অসমাহিত চিত্তে শত বছর বেঁচে থাকার চেয়ে সৎ চরিত্র ও ধ্যানী ব্যক্তির একদিনের জীবনও শ্রেয়।” – গৌতম বুদ্ধ

16. “যখন আপনার কাজ এবং কথা অন্যের উপকারে আসে তখন সুখ আসে।” – গৌতম বুদ্ধ

17. “রণক্ষেত্রে সহস্রযোদ্ধার ওপর বিজয়ীর চেয়ে রাগ-ক্রোধ বিজয়ী বা আত্মবিজয়ী বীরই বীরশ্রেষ্ঠ।” – গৌতম বুদ্ধ

18. “প্রত্যেক অভিজ্ঞতা কিছু না কিছু শেখায়। প্রত্যেক অভিজ্ঞতাই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আমরা আমাদের ভুল থেকেই শিখি।” – গৌতম বুদ্ধ

19. “জীবন যতক্ষণ আছে বিপদ ততোক্ষণ থাকবে।” – গৌতম বুদ্ধ

20. “জীবনে সফল হতে চাইলে, যেসব সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন তা ভুলে যান। তবে অধিকাংশ সমস্যাগুলি থেকে যে শিক্ষা পেয়েছেন, তা কখনই ভুলবেন না।” – গৌতম বুদ্ধ

21. “কোনো খারাপ জিনিস, কোনো খারাপ চিন্তা থেকেই আসে।” – গৌতম বুদ্ধ

“অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হলে আমরা যদি তাদের দেখাশোনা করতে ব্যর্থ হই, তবে কে আমাদের দেখাশোনা করবে?” – গৌতম বুদ্ধ

22. “তুমি কতোটা ভালোবাসা দিলে, কতোটা পূর্ণতার সাথে জীবনকে উপভোগ করলে এবং কতোটা গভীরতার সাথে হতাশাকে জীবন থেকে ত্যাগ করলে এই সবকিছুই সবশেষে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।” – গৌতম বুদ্ধ

গৌতম বুদ্ধের উপদেশমূলক বাণী

1. “তোমার কাছে যা আছে তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকো। আমাদের কাছে সবকিছু থাকলেও, অনেক সময় আমরা আরও কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা করি। অল্পতে সন্তুষ্ট হতে পারি না। কিন্তু এটা ঠিক নয়। তোমার কাছে যা আছে তার জন্য সর্বদা কৃতজ্ঞ থাকো, অনেকের কাছে কিছুই থাকে না।” – গৌতম বুদ্ধ

2. “প্রত্যেকটা দিনের গুরত্বকে বুঝুন, প্রত্যেক দিন একটা নতুন ব্যক্তির জন্ম একটা নতুন উদ্দেশ্যকে পূরণ করার জন্য হয়ে থাকে। এইজন্য একদিনের গুরত্বকে বুঝুন।” – গৌতম বুদ্ধ

3. “নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করো তারপর অন্যকে অনুশাসন করো। নিজে নিয়ন্ত্রিত হলে অন্যকেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করাই কঠিন।” – গৌতম বুদ্ধ

4. “অতীত নিয়ে বিভ্রান্ত হয়ো না, ভবিষ্যতের স্বপ্নে হারিয়ে যেও না, বর্তমানের দিকে মনোযোগ দাও। এটাই সুখী হওয়ার একমাত্র উপায়।” – গৌতম বুদ্ধ

“পূর্ণ অর্জনের চেয়ে পাপ বর্জন অধিক উত্তম। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ কেবল পুণ্য লাভের আশায় ভালো কাজ করতে চায়। কিন্তু তারা খারাপ কাজগুলো ত্যাগ করতে চায় না। আপনি তাদের বিপরীত হোন। অর্থাৎ পাপ বর্জন করার চেষ্টা করুন।” – গৌতম বুদ্ধ

5. “মৈত্রী দ্বারা শত্রুকে জয় করবে, সাধুতার দ্বারা অসাধুকে জয় করবে, ক্ষমার দ্বারা ক্রোধকে জয় করবে ও সত্যের দ্বারা মিথ্যাকে জয় করবে।” – গৌতম বুদ্ধ

6. “মা যেমন তাঁর নিজ পুত্রকে নিজের জীবন দিয়ে রক্ষা করে তেমনি সকল প্রাণীর প্রতি অপরিমেয় মৈত্রীভাব পোষণ করবে।” – গৌতম বুদ্ধ

7. “ভালো কাজ সবসময় কর, বারবার কর। মনকে সবসময় ভালো কাজে নিমগ্ন রাখো। সদাচরণই স্বর্গসুখের পথ।” – গৌতম বুদ্ধ

8. “মাতা, পিতা, স্ত্রী পুত্রের ভরণপোষন করবে। সত্য বিষয়ে জ্ঞান লাভ করবে। বিবিধ শিল্প শিক্ষা করবে।” – গৌতম বুদ্ধ

9. “সকলেই দণ্ডকে ভয় করে, জীবন সকলের প্রিয়। সুতরাং নিজের সাথে তুলনা করে কাউকে প্রহার করবে না কিংবা আঘাত করবে না।” – গৌতম বুদ্ধ

10. “কোনো হিংস্র পশু অপেক্ষা কোনো একটি শয়তান বন্ধুকে আপনার বেশী ভয় পাওয়া উচিত। কারণ হিংস্র পশু আপনার শরীরের ক্ষতি করতে পারে, কিন্তু একজন খারাপ বন্ধু আপনার বুদ্ধির ক্ষতি করে দিতে পারে।” – গৌতম বুদ্ধ

11. “অস্ত্র, প্রাণী, মাংস, নেশা, বিষ এগুলি নিয়ে বাণিজ্য করবে না। এগুলো মিথ্যাজীবিকা। ধর্মের পরিপন্থী।” – গৌতম বুদ্ধ

12. “কোনো পাপকেই ক্ষুদ্র মনে করো না। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাপই জমা হতে হতে মূর্খের পাপের ভান্ড পূর্ণ করে ফেলে।” – গৌতম বুদ্ধ

13. “মূর্খের সেবা করবে না। পণ্ডিতের সান্নিধ্যে যাবে। পুজনীয় ব্যক্তিকে পূজা করবে।” – গৌতম বুদ্ধ

“কাউকে কটু কথা বলবে না। কারণ সেও কটু প্রত্যুতর দিতে পারে। উত্তপ্ত বাক্য-বিনিময় তোমার জন্যেও কষ্টদায়ক হবে। দন্ডের প্রতিদন্ড তোমাকেও স্পর্শ করবে।” – গৌতম বুদ্ধ

14. “অন্যকে কখনো নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করো না, নিয়ন্ত্রণ করো কেবল নিজেকে।” – গৌতম বুদ্ধ

15. “পরের কৃত ও অকৃত কার্যের প্রতি লক্ষ্য না রেখে নিজের কৃত ও অকৃত কার্যের প্রতি লক্ষ্য রাখবে।” – গৌতম বুদ্ধ

16. “যিনি তোমার ক্রুটি প্রদর্শন করেন ও তজ্জন্য ভৎর্সনা করেন, সেই মেধাবীকে গুপ্তনিধির ন্যয় জানবে।” – গৌতম বুদ্ধ

17. “প্রশংসা এবং দোষ, লাভ এবং ক্ষতি, আনন্দ এবং দুঃখ বাতাসের মতো আসে আর যায়। সুখী হতে চাইলে, তাদের সবার মাঝে একটি বিশালাকার গাছের মতো বিশ্রাম করুন।” – গৌতম বুদ্ধ

18. “আপনার চারপাশে যারা আছেন, তাদেরকে সাহায্য করার চেষ্টা করুন। কেউ কোনও বিপদে পড়লে তাকে ছেড়ে সরে যাবেন না। তবে কাউকে সাহায্য করে, তার বিনিময়ে কিছু প্রত্যাশা করা ঠিক নয়। যদি আপনি কাউকে সাহায্য করে থাকেন এবং বিনিময়ে কিছু প্রত্যাশা করছেন, তার মানে আপনি সেটা ব্যবসা করছেন, দয়া নয়।” – গৌতম বুদ্ধ

প্রেম নিয়ে গৌতম বুদ্ধের বাণী

1. “অতীতের যে সমস্ত স্মৃতি বা কথা মনে পড়লে আপনি কষ্ট পান বা মন খারাপ হয়, তা কখনই মনে রাখবেন না। সেগুলি ভুলে যান। বরং বর্তমানে যা আপনাকে আনন্দ দেয় তার দিকে মনোযোগ করুন।” – গৌতম বুদ্ধ

“ঘৃনাকে ঘৃনা দিয়ে কখনোই শেষ করা যাবে না। ঘৃনাকে একমাত্র ভালোবাসার দাড়াই শেষ করা যেতে পারে। আর এটা একটা প্রাকৃতিক সত্য।” – গৌতম বুদ্ধ

2. “তুমি যদি সত্যিই নিজেকে ভালোবাসো, তাহলে তুমি কখনোই অন্যকে আঘাত দিতে পারবে না।” – গৌতম বুদ্ধ

3. “বোঝাপড়ায় থেকে সত্যিকারের ভালোবাসার জন্ম হয়।” – গৌতম বুদ্ধ

4. “গতকাল যে আপনাকে কষ্ট দিয়েছে তা ভুলে যান, তবে যারা আপনাকে সবসময় ভালোবাসে তাদেরকে ভুলে যাবেন না।” – গৌতম বুদ্ধ

5. “যে ব্যক্তি মানুষকে ভালোবাসে, সে দুঃখের দ্বারা ঘিরে থাকে এবং যে কাউকে ভালোবাসে না, তার কোনো সংকট নেই।” – গৌতম বুদ্ধ

গৌতম বুদ্ধের অমর বাণী

1. “চিন্তার প্রতিফলন ঘটে স্বভাব বা প্রকৃতিতে। যদি কেউ মন্দ অভিপ্রায় নিয়ে কথা বলে বা কাজ করে দুঃখ তাকে অনুগমন করে। আর কেউ যদি সুচিন্তা নিয়ে কথা বলে বা কাজ করে সুখ তাকে ছায়ার মত অনুসরন করে।” – গৌতম বুদ্ধ

2. “নিষ্ক্রিয়তা হচ্ছে মৃত্যুর একটা ছোট রাস্তা। কঠোর পরিশ্রমই ভালো জীবনের রাস্তা হয়ে থাকে। নির্বোধ মানুষরা নিষ্ক্রিয় হয়ে থাকে এবং বুদ্ধিমান মানুষরা কঠোর পরিশ্রমী হয়।” – গৌতম বুদ্ধ

3. “তোমার কাছে যা কিছু আছে, সেগুলোকে কখনোই অন্যের কাছে বাড়িয়ে বলো না, আর অন্যকে দেখে ঈর্ষাও করো না। যে অন্যদের দেখে ঈর্ষা করে, সে কখনোই মানসিকভাবে শান্তি পাবে না।” – গৌতম বুদ্ধ

4. “যেকোনো অবস্থাতেই এই তিনটে জিনিসকে লোকানো কখনই সম্ভব নয়, সেটা হলো- সূর্য, চন্দ্র এবং সত্য।” – গৌতম বুদ্ধ

“একটা প্রদীপের মাধ্যমে হাজারটা প্রদীপকে জ্বালানো যেতে পারে, কিন্ত তাতে সেই প্রদীপের আলো কখনও কমে যায় না। ঠিক তেমনই সুখ ভাগ করে নিলে কখনও তা কমে না।” – গৌতম বুদ্ধ

5. “চলে যাওয়া সময় কখনই ফিরে আসবে না। আমরা অনেকসময় এটা ভাবি যে, আজ যেই কাজটা হচ্ছেনা সেটা কাল হয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে যেই সময় একবার চলে যায় সেটা আর কোনো দিনও আসবে না।” – গৌতম বুদ্ধ

6. “তোমাকে তোমার রাগের জন্য শাস্তি দেওয়া হবে না বরং তুমি তোমার রাগের দ্বারাই শাস্তি পাবে।” – গৌতম বুদ্ধ

7. “আমরা যখন কথা বলি, তখন সেইসময় আমাদের শব্দ গুলোকে ভালোভাবে নির্বাচন করা উচিত। কারণ এরফলে শ্রোতার উপর ভালো কিংবা খারাপ প্রভাব পরতে পারে।” – গৌতম বুদ্ধ

8. “শান্তি মনের ভীতর থেকে আসে, তাই সেটা ছাড়া শান্তির অনুসন্ধান করো না।” – গৌতম বুদ্ধ

9. “পবিত্রতা কিংবা অপবিত্রতা নিজের উপর নির্ভর করে। কেউ অন্য কাউকে পবিত্র করতে পারে না।” – গৌতম বুদ্ধ

10. “যিনি অস্থিরচিত্ত, যিনি সত্যধর্ম অবগত নন, যার মানসিক প্রসন্নতা নেই, তিনি কখনো প্রাজ্ঞ হতে পারেন না।” – গৌতম বুদ্ধ

11. “আলস্য ও অতিভোজের দরুন স্থূলকায় নিদ্রালু হয়ে বিছানায় গড়াগড়ি দেয়া স্বভাবে পরিণত হলে সেই মূর্খের জীবনে দুঃখের পুনঃ-পুনরাবৃত্তি ঘটবে।” – গৌতম বুদ্ধ

12. “হাজারও শব্দের থেকে ভালো সেই শব্দ, যেটা শান্তি নিয়ে আসে।” – গৌতম বুদ্ধ

13. “মন ধর্মের পূর্বগামী, মনই শ্রেষ্ঠ, সকলই মনোময়।” – গৌতম বুদ্ধ

“যিনি যতো অধিক ভাষণ করুন না কেন তাতে তিনি ধর্মধর হতে পারেন না। যিনি অল্পমাত্র ধর্মকথা শুনে নিজের জীবনে তা আচরণ করেন এবং ধর্মে অপ্রমত্ত থাকেন তিনিই প্রকৃত ধর্মধর।” – গৌতম বুদ্ধ

14. “ধৈর্য হলো গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। মনে রাখবে, একটা কলসি বিন্দু বিন্দু জলের দ্বারা ভর্তি হয়।” – গৌতম বুদ্ধ

15. “প্রত্যেক মানুষ, তার স্বাস্থ্যের কিংবা রোগের সৃষ্টিকর্তা হয়ে থাকে।” – গৌতম বুদ্ধ

16. “চাঁদের মতোই মেঘের আড়াল থেকে বেরোও এবং প্রকাশিত হয়ে ওঠো।” – গৌতম বুদ্ধ

17. “তুমি মুখে কি বলছো সেটি কোনো বিষয় নয়। বিষয় হলো তোমার কাজ।” – গৌতম বুদ্ধ

18. “আমরা প্রত্যেকেই একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত। একজন আরেকজনের পরিপূরক। অর্থাৎ সমাজে আমরা কেউ একা নয়।” – গৌতম বুদ্ধ

19. “অজ্ঞ মানুষ একটি গরুর মতো। সে জ্ঞানে নয়, আকারে বেড়ে ওঠে।” – গৌতম বুদ্ধ

20. “পা তখনই অন্য পা-কে অনুভব করে, যখন সেটা মাটিকে ছোঁয়।” – গৌতম বুদ্ধ

21. “নিশ্চিতভাবে যে ব্যক্তি বিরক্তিপূর্ণ চিন্তার থেকে মুক্ত থাকে, সেই শান্তি পেয়ে থাকে।” – গৌতম বুদ্ধ

“রেগে যাওয়া, কোনো জলন্ত কয়লাকে অন্যের গায়ে ছোঁড়ার জন্য সেটাকে ধরে থাকার মতোই সমান হয়ে থাকে। এটা সবার প্রথমে তোমাকে জ্বালাবে।” – গৌতম বুদ্ধ

22. “জগতে মাতা ও পিতার সেবা সুখকর। শ্রমণ ও পণ্ডিতদের পরিচর্যা জগতে সুখ দায়ক। বার্ধক্য পর্যন্ত শীল(নীতি)পালন সুখকর। শ্রদ্ধায় প্রতিষ্ঠিত হওয়াই সুখদায়ক। প্রজ্ঞালাভই সুখ জনক, পাপ না করাই সুখাবহ।” – গৌতম বুদ্ধ

গৌতম বুদ্ধের অমূল্য বাণী

1. “পরিবার এমন এক জায়গা যেখানে মন একে অপরের সংস্পর্শে আসে। এই মন যদি একে অপরকে ভালোবাসে তবে বাড়িটি ফুলের বাগানের মতোই সুন্দর হবে। তবে এই মন যদি একে অপরের সাথে সম্প্রীতি থেকে বেরিয়ে আসে তাহলে খুব সর্বনাশ হবে।” – গৌতম বুদ্ধ

2. “বোকা লোকেদের সঙ্গে বিতর্কে না জড়ানোই ভালো। কারণ এদের সঙ্গে তর্ক করা অনেকটা নিজের গালে মশা মারার চেষ্টা করার মতো। মারতে পারুন আর না পারুন, নিজের গালে চড় পড়বেই পড়বে।” – গৌতম বুদ্ধ

3. “কোনো পরিবারকে সুখী ও স্বাস্থ্যবান হতে হলে সবার প্রথমে দরকার অনুশাসন এবং মনের উপর নিয়ন্ত্রণ। যদি কোনো ব্যক্তি নিজের মনের উপর নিয়ন্ত্রণ পেয়ে যায়, তাহলে সে আত্মজ্ঞানের রাস্তা অবশ্যই খুঁজে পাবে।” – গৌতম বুদ্ধ

4. “যিনি উপদেশ দেন, অনুশাসন করেন এবং অসভ্যতা নিবারণ করেন তিনি অসতের অপ্রিয় এবং সৎলোকের প্রিয় হন।” – গৌতম বুদ্ধ

“সন্দেহের অভ্যাস সবচেয়ে ক্ষতিকারক, এটা মানুষকে দূষিত করে। সন্দেহ একটা ভালো বন্ধুত্ব ও ভালো সম্পর্ককে ধ্বংস করে দেয়।” – গৌতম বুদ্ধ

5. “আমি কখনোই দেখিনা যে কি কি চলে গেছে, আমি সর্বদা দেখি আর কি করা বাকি আছে।” – গৌতম বুদ্ধ

6. “যা আপনি চিন্তা করবেন, তাই আপনি হবেন।” – গৌতম বুদ্ধ

7. “একটি মানুষের মন তার প্রকৃত বন্ধু কিংবা শত্রু হয়ে থাকে।” – গৌতম বুদ্ধ

8. “একটা শুদ্ধ এবং নিস্বার্থ জীবনযাপন করার জন্য একটা ব্যক্তিকে, সবকিছুর মধ্যেও কিছুই নিজের না; এই ভাবনা রাখতে হবে।” – গৌতম বুদ্ধ

9. “প্রতিটি সমস্যার তিনটি সমাধান রয়েছে -গ্রহণ করা, পরিবর্তন করা, বাদ দেওয়া। আপনি যদি গ্রহণ করতে না পারেন, তবে এটি পরিবর্তন করুন। আপনি যদি এটি পরিবর্তন করতে না পারেন, তবে ছেড়ে দিন বা বাদ দিন।” – গৌতম বুদ্ধ

10. “অর্থহীন সহস্র বাক্য অপেক্ষা একটিমাত্র সার্থক বাক্য যা শুনে লোকে শান্তি লাভ করে তাই শ্রেয়।” – গৌতম বুদ্ধ

11. “করুণাই বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো শক্তি।” – গৌতম বুদ্ধ

12. “আসক্তি হলো সকল কষ্টের মূল কারণ।” – গৌতম বুদ্ধ

“জন্ম নেওয়া ভাগ্যের ব্যাপার, মৃত্যু হওয়া সময়ের ব্যাপার। কিন্তু মৃত্যুর পরেও মানুষের মনে বেঁচে থাকা কর্মের ব্যাপার।” – গৌতম বুদ্ধ

13. “নি:শ্বাস হারালে হয় দেহের মৃত্যু আর বিশ্বাস হারালে হয় মনের মৃত্যু।” – গৌতম বুদ্ধ

14. “সম্মান হলো অনেকটা আয়নার মতো। তুমি অন্যকে যতো বেশী সম্মান দেবে তার থেকে অনেক বেশী সম্মান তাদের কাছ থেকে ফিরে পাবে।” – গৌতম বুদ্ধ

15. “নীরবতা ও হাসি দুটি জীবনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়। হাসি যেখানে সমস্যা মেটাতে সাহায্য করে নীরবতা সেই সমস্যাগুলোকে এড়িয়ে চলতে শেখায়।” – গৌতম বুদ্ধ

16. “তুমি যা ভাবো সেটাই হও, যা অনুভব করো সেটাই আকর্ষণ করো, যা কল্পনা করো তাই সৃষ্টি করো।” – গৌতম বুদ্ধ

17. “বন্ধু এমন একজন যিনি আপনার জীবন সম্পর্কে সমস্ত কিছু জানেন এবং এখনও আপনাকে ভালোবাসে।” – গৌতম বুদ্ধ

18. “প্রতিদিন সকালে আমাদের নতুন করে জন্ম হয়। তাই আজ আমরা কি করছি, সেটাই সব থেকে বড়ো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।” – গৌতম বুদ্ধ

“সময় সিদ্ধান্ত নেয় জীবনে কার দেখা পাবেন, আপনার হৃদয় সিদ্ধান্ত নেন কাকে আপনি চান, আপনার ব্যবহার সিদ্ধান্ত নেয় কে আপনার জীবনে থাকবে।” – গৌতম বুদ্ধ

19. “ভালো বন্ধু অনেকটা আকাশের তারার মতোন, সবসময় দেখা না গেলেও তুমি জানো যে তারা সাথে আছে।” – গৌতম বুদ্ধ

20. “বিশ্বে এমন কোনো ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া কঠিন, যার জীবনে কোনো দুঃখ কষ্ট নেই। আমাদের জীবন সুখ, দুঃখ, কঠিন সময় এবং ভালো সময়ের একটি চক্র। আপনার জীবনে যদি এখন কঠিন সময় আসে, তাহলে বিশ্বাস রাখুন যে, একদিন না একদিন ভালো সময়ও আসবে।” – গৌতম বুদ্ধ

গৌতম বুদ্ধের বাণী গুলো কেমন লাগলো তা আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাবেন এবং ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।।

Leave a Reply